(4)

এসময় গুরগন তার কাজ শেষ করে বের হয়ে এসে গুড্ডুকে যেতে বলল গুড্ডু গেল কয়েক মিনিট পর গুড্ডু এসে আমাকে বলল আমি গিয়ে দেখলাম মহিলা বোধ হয় জিবীত নেই নাকে হাত দিয়ে দেখলাম শ্বাস আছে মরে নাই আমি ট্রেনিং আছি আমার ট্রেনিং শেষ করতে হবে

আশিক বলল চল ফিরে যাই বাঙাল সব খতম করনে হুগা বাঙাল নেহি রাহেগা তো ভোট দেয়গা কায়সা? সে আরও বলল এই এলাকায় কোন বাঙালি রাখা হবে না সব শেষ করে দাও রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম সবাই একটা ট্রাক হাত তুলে থামাল আশিক নিয়ে গেল সেই বাড়ীতে সব দামি জিনিস আর অনেকগুলো সুটকেস ট্রাকে উঠানো হল সবশেষে সেই মহিলাকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে এল ট্রাকে যার যার বাড়ীর সামনে ট্রাক থামিয়ে যার যার জিনিস তাদের বাড়ীতে নিয়ে গেল সবশেষে মহিলাকে নিয়ে গেল দশ b¤^‡i আর্মি ক্যাম্পে কমান্ডারকে গিয়ে আশিক বলল, হুযূর আপকে লিয়ে তোফা

বহুত আচ্ছা! বহুত আচ্ছা! তুম তো বহুত কামকা আদমী হো তোমারা প্রমোশন মিল যায়েগা যাও আচ্ছা ছে কাম কারো

পরে টাকা আর সোনার গহনা সবার মাঝে ভাগ করে দিল আশিক আমার ভাগে পড়ল দুহাজার টাকা আর দুটা হাতের বালা এভাবেই শেষ হল আমার প্রথমদিনের অপারেশন ট্রেনিং

আমাদের অপারেশন চলল রাত দিন, যখন তখন মিরপুর, মুহম্মদপুর, রায়ের বাজার, কাটাবন, ধানমি-, ওদিকে তেজগাঁ, কারওয়ান বাজার, গুলশান যখন যেখানে সুবিধা আমরা অপারেশন শুরু করলাম

এর মধ্যে আমাদের আনসারী হুযূরের প্রমোশন হয়ে চলে গেছে হেড কোয়ার্টারে হুযূরের জায়গায় প্রমোশন পেয়েছে আশিক এখন আমাদের পস্নাটুনে প্রায় ষাট জন রাজাকার কাজ করে আসলে সব বিহারিরাই রাজাকার আমার কাজে খুশি হয়ে আশিক আমাকে আরও দায়িত্ব দিয়েছে এখন আমি নিজেই অপারেশন লিডার সব করতে পারি বুঝতে পারলাম শত্রম্ন চেনার প্রয়োজন নেই বাঙালি হলেই হল যাদের ঘরে সোনা-দানা টাকা-পয়সা আছে তারাই দেশের শত্রম্ন

বাঙালি সব খতম করতে হবে সেই আদেশে আমি আমার দল নিয়ে মিরপুরের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে হানা দিয়েছি যে বাড়ীতে পুরুষ পেয়েছি তাদের ধরে এনে তাদের দিয়েই কবর খুড়িয়েছি তারপর তাদের লাইন করে দাঁড় করিয়ে খতম করেছি মিরপুরের বধ্যভুমি বলে পরিচিত আজকের যে জায়গা তাতে আমার দান অনেক বেশিরভাগ শত্রম্ন আমিই খতম করে ওখানে মাটিচাপা দিয়েছি কখনও খোলা জায়গায় ফেলে এসেছি তাদের বাড়িঘর লুট করেছি লুটের মাল আমার দলের মাঝে ভাগ করে দিয়েছি ঈমানের সাথে ইসলাম ধর্মের প্রধান অঙ্গ ঈমান আমার ঈমান খুব শক্ত আমার এসব কাজে খুশি হয়ে আশিক আমাকে প্রমোশন দিল কমান্ডার হিসেবে তখন আমার ক্ষমতা আরও বেড়ে গেল

একদিন গেলাম ধানমন্ডির একটা বাড়ীতে আমাদের কাছে খবর ছিল বাড়ীর মালিক লীগ করে অনেক ধনী কাজেই সে দেশের শত্রম্ন মুক্তি একদিন সকাল দশটায় একটা ছোট ট্রাক নিয়ে আমরা সে বাড়ীতে উপস্থিত হলাম বিরাট দুতলা বাড়ী লোহার গেইট অনেক ধাক্কাধাক্কির পরও দরজা খোলেনি গুরগনকে এখন আর বলতে হয় না দরজা ভাঙার জন্য সে উস্ত াদ একবার তার দিকে তাকালেই হল আমি তার দিকে তাকাতেই সে তার কাজ শেষ করে ফেলল আমরা পাঁচজন বিনা বাধায় বাড়ীর ভেতর ঢুকলাম নীচের তলায় অনেকগুলো রুম জিনিসপত্রে ঠাসা দামী ফার্নিচার একটা রুমে দেখলাম বেশ কিছু সুটকেস রাখা আছে মনে হল- হয় যাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে না হয় চলে গেছে সবগুলো রুম তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখলাম কেউ নেই কিন্তু এতসব জিনিস কিভাবে নিব! আমাদের ট্রাকে জায়গা হবে না ভাবলাম একবারে না পারি কয়েকবারে নেয়া যাবে আমরা উপরে গেলাম চারটা রুম তিনটা রুম ভেতর থেকে বন্ধ একটায় তালা দেয়া বুঝলাম তিনটা রুমে মানুষ আছে ধাক্কা দিলাম খোলেনি তারপর গুরগন তার কাজ করল দরজা খুলতেই আমরা ভেতরে ঢুকলাম খুঁজতে লাগলাম মানুষ এবং সোনা-দানা কি আছে স্টিলের আলমারী বন্ধ পাশে আলনায় অনেক দামী কাপড় দামী ফার্নিচার পেছন থেকে থেকে গুড্ডু চিৎকার করে উঠল, মিল গায়া! সে খাটের নীচ থেকে একটা লোক টেনে বের করে আনল দেখলাম আধ বয়সি লোকটা কাঁপছে আমি খুব জোরে একটা ঘুসি লাগিয়ে দিলাম তার মুখে বললাম, আলমারির চাবি দে! সে কাঁপতে কাঁপতে বালিশের নিচে থেকে চাবি দিল আলমারিতে আমরা অনেক টাকা পয়সা সোনা-দানা পেলাম গুড্ডু আবার চিৎকার করে উঠল, কিমতি চিজ মিল গায়া উস্ত াদ! দেখলাম আলনার পেছন থেকে এক অনিন্দ সুন্দরী মহিলাকে সে টেনে বের করে আনল মহিলার বয়স তিরিশের উপর হবে এমন সুন্দরী মহিলা আমি আর দেখিনি তার গায়ে অনেক গহনা জ্বল জ্বল করছে মহিলা আমার পায়ের উপর পরে কেঁদে উঠল বলল, আমাদের সব নিয়ে যাও! আমাদেরকে মেরো না! এর মধ্যে গুরগন লোকটার হাত পিছমোরা করে বেঁধে ফেলল গুরগনের কাছে সব সময় দড়ি আর চোখ বাঁধার কাপড় থাকে তার j¤^v জামার পকেটে আরও অনেক কিছু রাখা যায় লোকটা যেন একটা পুতুল কোন কথা বলছে না গুরগন তাকে নীচে ফেলে পা দিয়ে মাথা চেপে ধরেছে একটার পর একটা লাথি দিচ্ছে কোন আওয়াজ নেই বোধ হয় বোবা তারপর মহিলাকে হাত বেঁধে আমরা সব রুম দেখলাম যে রুমটা তালা দেয়া সে রুমের চাবি নিলাম মহিলার ব্যাগ থেকে খুলে দেখলাম রুমে মানুষ নেই তবে কাপড়-চোপড় ভর্তি খাটের নিচে খুঁজলাম দেখলাম একটা K¤^j পড়ে আছে টান দিতেই এটা ভারি মনে হল বের করে আনলাম K¤^jUv সরাতেই একটা চিৎকার করে উঠল একটা দশ বার বছরের মেয়ে K¤^j জড়িয়ে এখানে লুকিয়ে আছে আর বাইরে থেকে তালা দিয়ে রেখেছে মেয়েটার বাড়ন্ত গড়ন দুধে আলতা গায়ের রং এর রূপ! চোখ ফেরানো যায় না মেয়েটার চিৎকার থামছে না আবক্ষু! আম্মু! আমাকে নিয়ে যাও! আমাকে ধরে ফেলেছে! একটা ধমক দিলাম কাজ হয় না তার মুখে একটা কাপড় গুজে গুড্ডুকে বললাম, তুম সব দোছরা কামরে মে যাও আওর গনিমত কামে লাগাও আমি ঘরের দরজা বন্ধ করে দিলাম মেয়েটাকে বিছানায় আনার সাথে সাথে সে একবারে নির্জীব হয়ে গেল মেয়েটাকে রেফ করার আগে আমার মনে দ্বিধা ছিল মনের যুক্তি ছিল: যুদ্ধের সময় সবকিছুই জায়িয এখন সে গনিমতের মাল আমাদের আমরা যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারব এটা জায়িয তার মুখে ভাল করে কাপড় গুজে দিয়ে আমি সম্ভ্রমহরণ করলাম আমি এত পুলকিত হলাম মনে হল এটাই অমিয় শান্তি এই কয়মাসে আমি কত মহিলাকে রেফ করলাম কিন্তু এত সুখ আমি আর কোথাও পাইনি সম্ভ্রমহরণ শেষে আমি তার মুখের কাপড় খুলে দিলাম একি! মেয়েটা নড়াচড়া করছে না কেন! নাকে হাত দিয়ে দেখলাম কই শ্বাস প্রশ্বাস নেই কেন ধাক্কা দিলাম একদম নিথর সম্ভ্রমহরণের আগেই মারা গেল নাকি সম্ভ্রমহরণ করার সময় মারা গেল তা বুঝতে পারলাম না হয়ত বা মুখে কাপড় গুজে দেবার সময়ই মারা গেছে! আমার খুব খারাপ লাগল মেয়েটার জন্য আমার ইচ্ছে ছিল আরও রেফ করব, নিয়ে যাব ইচ্ছেমত করব যখন তখন সে সুযোগটা আর থাকল না! কিন্তু সেই থেকে কিশোরীর প্রতি আমার আকর্ষণ বেড়ে গেল

অপারেশনে গেলে আমি আগে খুঁজি কিশোরী কোন বাড়ীতে আছে এখন সোনা-দানার চেয়ে কিশোরী আমার কাছে দামী সুন্দরী মহিলা এখন আর আমার মনে ধরে না বাড়ন্ত কিশোরী দেখলে আমি দিশেহারা হয়ে যাই এমনও হয়েছে রাস্ত থেকে কিশোরী ধরে নিয়ে এসেছি যতদিন ইচ্ছে আটকে রেখে আমার মনের তৃপ্তি মিটিয়েছি এমনি যখন আমাদের রাজত্ব চলছিল হঠাৎ একদিন আমাদের কমান্ডার বলল, মুক্তি আর ইন্ডিয়ার সৈন্যরা আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে সারেন্ডার করা ছাড়া উপায় নাই তখনই আমার মনে প্রশ্ন এল যুদ্ধ তো শুরু হয়নি তাহলে সারেন্ডার করব কোথায় আমি তো এসেছিলাম ইন্ডিয়ার সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে কোথায় ইন্ডিয়ার সৈন্য এতদিন যেসব মানুষ খতম করেছি সবাই তো নিরীহ মানুষ তাদের হাতে কোন অস্ত্র ছিল না মুক্তি তো একটাও ধরতে পারলাম না তাহলে যুদ্ধটা করলাম কোথায়! এখন সারেন্ডার করলে উপায় কি হবে! আমাদের আর কোন ক্ষমতা থাকবে না আশিককে জিজ্ঞেস করলাম: কোথায় ইন্ডিয়ার সৈন্য?

বর্ডার মে

আর মুক্তি?

সব বাঙালি মুক্তি হ্যায় সব বাঙালি হিন্দু হ্যায় যত পার খতম কর হাই কমান্ডের আদেশ

তার পরদিন আমাদের হাই কমান্ড আলী আহসান মুজাহিদ এসে সবাইকে ডেকে ভাষণ দিল, মুক্তি আর ইন্ডিয়ার সৈন্য ঢাকার জয়দেবপুর পৌঁছে গেছে আজ কালের মধ্যেই আমরা সারেন্ডার করতে যাচ্ছি তার আগেই যত বুদ্ধিজীবী আছে সব শেষ করতে হবে সে একটা নামের লিস্ট দিল সেই মতে আমরা কয়েকটা দলে ভাগ হয়ে সবাইকে ধরে এনে মিরপুরে যেখানে সব লাশ ফেলা হয় সেখানে খতম করে দিলাম আশিক খুব খুশি হয়ে বলল, তুম তোমারা গাও মে চালা যাও আর আমরা পাকিস্ত ানী সৈন্যের সাথে সারেন্ডার করে তাদের সাথে পাকিস্ত ান চলে যাব যাবার আগে তোমাকে কিছু তুহফা দিব আমার আর আসলামের বাড়ী আছে আমাদের বাড়ীগুলো তুমি নিয়ে নাও দশ b¤^‡i ইসমাইলের এক স্টেশনারী দুকান ভি হ্যায় ভি লে লাও দাম যা পার তাই দাও তার নিজের এবং আসলামের বাড়ী আছে বাকীরা সব রিফিউজি সরকারি বাড়ীতে থাকে এদেশে আসার পর পাকিস্ত ান সরকার তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছিল

আমি বললাম, হ্যাঁ, তোমাদের বাড়ীগুলো এবং দোকান আমি কিনব আমার কাছে তখন লুট করা লক্ষ লক্ষ টাকা আর সোনা-দানা লুট করা একটা সুটকেসের ভেতর রাখি আশিক ইসমাইল আর আসলামকে ডেকে ব্যবস্থা করতে বলল তারা কয়েক ঘণ্টার মাঝে সব ব্যবস্থা করে ফেলল বাড়ীর দলিল পত্র এনে আমার হাতে দিল আর দোকানের চাবি আমি নাম মাত্র মূল্য দিয়ে দিলাম

রাতে সবাই গেল দশ b¤^‡i| সেখানে হাই কমান্ড মুজাহিদ ভাষণ দিল কাল সারেন্ডার করবে ভাষণে বলা হল যে যেভাবে পার আত্মরক্ষা কর যারা আর্মির সাথে থাকতে চাও তারা এখনি জড়ো হও আশিক আমাকে কানে কানে বলল, তুম লেবাস বদল কার লও আওর তোমরা গাও মে চালা যাও আমিও ঠিক এমনই একটা চিন্তা করছিলাম রাতে ঘরে ফিরে আমার দাড়ি ফেলে দিলাম আমার লুট করা সোনা দানা টাকা পয়সা লুট করে আনা একটা পুরনো সুটকেসে ভরলাম পাকিস্ত ানী কোর্তা ছেড়ে প্যান্ট সার্ট পরলাম তারপর আশিকের বাড়ীতে গিয়ে উঠলাম এটা এখন আমার বাড়ী তার কাছাকাছি আরও দুটা বাড়ীর মালিক এখন আমি

পরের দিন সকাল থেকেই ঢাকা শহর উৎসবে মেতে গেল মুক্তিদের জয় জয়ের উৎসব আমি নিজেও সেই মানুষের কাফেলাতে যোগ দিলাম যাতে আমার উপর কারও কোন সন্দেহ না হয় সবাইর সাথে আমিও মেতে রইলাম এই উৎসবে তারপর একদিন সুযোগ বুঝে আমার সুটকেস নিয়ে রওয়ানা দিলাম আমার গ্রামের বাড়ীর উদ্দেশ্যে দেখলাম আমার আপনজন সবাই আমার জন্য খুব চিন্তায় ছিল আমি একটা গল্প ফেঁদে বসলাম বললাম, এতদিন আমাকে পাকিস্ত ানী আর্মি ক্যাম্পে আটকে রেখেছিল তাদের অনেক টর্চারের কথাও বললাম যা আমি নিজে করেছি বাঙালিকে শুধু মাদরসায় পড়ি বলে তারা আমাকে প্রাণে মারেনি ১৬ই wW‡m¤^‡i ছাড়া পেয়ে প্রাণে বেঁচে এসেছি আমার কথা সবাই বিশ্বাস করল আর্মির হাত থেকে কেউ ফিরে আসে না, ময়মুরুবিক্ষর দোয়ায় আমি যে ফিরে এসেছি সেটাই কথা

দেশে তখনও সরকারি আদেশ চলেনি মুক্তিবাহিনীর কমান্ডারের আদেশেই সব চলে আমি তাদের কাজে সাহায্য করতে লাগলাম যখন যেখানে যা লাগে আমি এগিয়ে যাই রাজাকার আর পাকিস্ত ানি বাহিনীকে যখন তখন গালাগালি করি মানুষের সাথে গভীরভাবে মিশে গেলাম আর মনে মনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে লাগলাম

কিন্তু আমার মাথা থেকে কিশোরীর চিন্তা যায় না যখন তখন আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি

একদিন শুনলাম শেখ মুজিবুর রহমান সব রাজাকারকে ক্ষমা করে দিয়েছে মনে মনে খুশি হলাম আমি ফিরে গেলাম ঢাকায় আমার নিজের বাড়ীতে সেখানে বেশ কিছু মানুষের সাথে ভাব করে নিলাম বিহারীরা নেই সব নতুন মানুষ দুটা বাড়ী ভাড়া দিলাম একটায় আমি থাকি আর প্রতিদিন দোকানে বসি আমি এখন ব্যবসায়ী খুব ব্যস্ত কিন্তু কিশোরী কোথায় পাই!

দোকান বন্ধ করে সন্ধ্যা হলেই বেরিয়ে পড়ি সবগুলো বেশ্যাপাড়া ঘুরে বেড়াই কিশোরীর খোঁজে দুএক জায়গায় মিলেছে জানতে পারলাম বেশিরভাগই আর্মি ক্যাম্প থেকে বেঁচে এসেছে এর মাঝে পরিচয় হল দুজন বেশ্যা দালালের সাথে তাদের সাথে কন্ট্রাক্ট হল তারা আমাকে কিশোরী সরবরাহ করবে সুন্দরী কিশোরী টাকার কোন অসুবিধা হবে না সেভাবেই চলল প্রায় প্রতি রাতে আমার ঘরে কিশোরী আসে আমি আমার তৃপ্তি মেটাই দিনের বেলায় আমি অন্য মানুষ

বাকী অংশ জানতে- ক্লিক করুক